ছবি ব্লগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছবি ব্লগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১২ মে, ২০১৩

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী আমের পরিচিতি ও বিবরণ সহ ছবিব্লগ

ওয়েলকাম টু দ্যা হেভেন অফ ম্যাংগোজ। আমের রাজ্য রাজশাহীতে স্বাগতম। আম খেতে কার না ভাল লাগে কিন্তু আমটা যদি রাজশাহীর হয় তাহলে তো আর কোন কথায় থাকেনা। অনেকে আম খান কিন্তু আমের প্রকৃত নাম জানেন না আবার নাম জানলেও দেখতে কেমন সেটা জানেন না ফলে বিক্রেতা আপনাকে যা ধরিয়ে দেয় সেটাই নিয়ে বাড়ি আসেন। দোকানী বলে অনেক মিষ্টি হবে কিন্তু খাবার সময় আর মুখে তুলতে পারেন না। আমি চেষ্টা করব কিছু জনপ্রিয় এবং কিছু দুর্লভ আমের ছবি ও সামান্য বর্ণনা দিতে। তাই আমার এই পোষ্টের অবতারণা।
১। গোপাল ভোগঃ

মধুমাসের শুরুতেই যে আমটি আপনারা খেতে পাবেন সেটা হল গোপাল ভোগ। এর আর কি বিবরণ দিব আসলে গাছপাকা যে খেয়েছে সেই জানে এই আমের কি স্বাদ। তারপরেও বলি, খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু, আঁশ বিহীন, আটি ছোট। সাইজ মাঝারি, কেজিতে ৫টা থেকে ৬টা ধরবে। চোখ বন্ধ করে এই আম কিনতে পারেন (যদি অরিজিনাল হয়) অমৃতের স্বাদ পাবেন গ্যারান্টি!


২। ক্ষীরশাপাতিঃ

এই আমটিও প্রায় গোপাল ভোগের মতই তবে সাইজে বড়। অত্যন্ত মিষ্টি আঁশহীন। যখন আমটি পাকার কাছাকাছি(ডাকর) থাকবে তখন এটি কাঁচা খেতে দারুন।


৩। মিয়ার চারাঃ

আমটির নাম মিয়ার চারা কেন জানিনা। তবে নিশ্চয় কন মিয়াঁ সাহেবের অনেক পছন্দের আম ছিল। এটি পাকে প্রায় গোপাল ভোগের সাথে সাথেই। সাইজে মাঝারি। খুবই মিস্টি, একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছা করবে। এটি আমার পছন্দের একটি আম।


৪। লখনাঃ

লখনা একটি হাইব্রিড জাতীয় আম। অনেক বড় হয়। গাছে প্রচুর ধরে। দেখতে অনেক সুন্দর, পাকলে ঈষৎ সোনালী বর্ণ ধারন করে কিন্তু স্বাদ পেপের মত। দাম তুলনামুলক কিছুটা কম। ছোট গাছের আম কম মিস্টি, বয়স্ক গাছের আম দারুন । এর কিছু গুন আছে এই আম পাকার পরেও ৭-৯ দিন ভাল থাকে, বিদেশিরা এই জাতের আম খুব পছন্দ করে ।


৫। ফজলিঃ

রাজশাহীর গর্ব! বহুল আলোচিত আম। যেমন তার সাইজ তেমন তার স্বাদ। আমটা একটু নামলা (দীর্ঘও সময়ের) এটি কাঁচা খেতে যেমন মজা তেমনি পাকা খেতেও। কাঁচা আম কেটে লবন মরিচ (বাদ দেন রাঁধুনি কাসুন্দি) দিয়ে মেখে কলা পাতার উপর রেখে বাগানে বসে না খেলে কোন মজাই পাওয়া যায় না।



৬। আশ্বিনাঃ

এই আম আশ্বিন মাস পর্যন্ত গাছে থাকে তাই এর নাম আশ্বিনা। আকারে বেশ বড়, অনেক সময় ফজলির কাছাকাছি চলে যায়। এই আম নিয়ে স্থানীয় একটা ছড়া আছে,
আশ্বিনা রে আশ্বিনা গাছ তলাতে যাস ন্যা,
কাঁচাতে খাইস ন্যা, পাকাতে পাইস ন্যা।
এই আম কাঁচাতে ভয়ংকর টক, কিন্তু পাকলে সেরকমই মিষ্টি ও সুস্বাদু।
৭। দুধসরঃ

এই আম দেখতে অনেক ফর্শা ( অনেকটা বিদেশীদের মত) তাই এর নাম দুধসর। খেতে বেশ ভালই। তবে কাঁচাতে খুব টক কিন্তু পাকলে ব্যপক মিষ্টি।


৮। ফনিয়ার চারাঃ

এই আমটা লম্বাটে গড়নের। খুব সুন্দর সুগন্ধ যুক্ত। খেতে অত্যন্ত মিষ্টি। খোসা পাতলা।


৯। জালিবান্ধাঃ

এই আম সাইজে বড়। খোসা পাতলা, অতিরিক্ত মিষ্টি না। তবে স্বাদটা ভাল।
১০। কাঁচামিঠাঃ

নামটা পড়েই বুঝতে পারছেন আমটা কেমন হতে পারে। কাঁচা অবস্থায় খেতে মিষ্টি। কাঁচাতে মিষ্টি তার মানে এই নয় যে পাকলে এটা টক হবে, পাকলেও বেশ সুস্বাদু। আপনার ঘরওয়ালি যদি একবার কাঁচা এই আম খায় তাহলে রোজ আপনাকে কিনতে বলবে এ ব্যপারে নিশ্চিত থাকুন। কিন্তু আপনাদের দুর্ভাগ্য এই আম ফরমালিন ছাড়া ঢাকাতে পাওয়ার সম্ভবনা খুব কম।
১১। কুয়া পাহাড়িঃ

এই আম নিশ্চয় আবিষ্কার হয়েছে কুয়ার পাড় হতে। আমটা লম্বা নিচের দিকে ঈষৎ বাঁকা। খেতে মিষ্টি, সামান্য আঁশযুক্ত।


১২। কুমড়া জালিঃ

ছোট কুমড়ার(তাই বলে আবার মিষ্টি কুমড়া না) মত এর সাইজ বলে এর নাম কুমড়াজালি। দেখে বুঝতেই পারবেন না যে, এটি আম না কুমড়া । খেতে অনেকটা জেলির মত। মনে হয় দানাদার টাইপের। স্বাদটা আলাদা ধরনের। খুব দুর্লভ।
১৩। মোহন ভোগঃ

এটা ভোগ সিরিজের আরও একটি আম। আটি ছোট, বেশ বড় সাইজের, খেতে মিষ্টি, অনেকটা গোপালভোগের মত।
১৪। পাটনায় গোপালভোগঃ

এটি হাইব্রিড টাইপের গোপালভোগ। সাইজটা গোপালভোগের চেয়ে বড়। কোয়ালিটির দিক দিয়ে গোপালভোগের চেয়ে কিছুটা কম। কেনার সময় গোলমাল পাকানোর সম্ভবনা আছে এই দুই আমের মধ্যে। যেটা আসল গোপালভোগ সেটা আকারে পাটনায়ের চেয়ে ছোট।


১৫। রানী প্রসাদীঃ

এই আমের লোকাল নাম ‘রানীপছন্দ’, জানিনা কোন রানীর পছন্দের আম ছিল এটা! যেহেতু আমটি রানীর প্রিয় তালিকায় ছিল সুতরাং আমটি যেমন তেমন আম নয়। অনেক মিষ্টি, সাইজে লম্বা, খোসা পাতলা। অনায়াসে আপনার অন্দর মহলের রানীকে নিয়ে যেয়ে খাওয়াতে পারেন।
১৬। ভাদ্রিঃ

এই আমটা অনেক লম্বা অনেক! ঈষৎ কৃষ্ণ বর্ণের, খোসা মোটা, খেতে গতানুগতিক ভাবে মিষ্টি।


১৭। রাজভোগঃ

রানীর ট্রেডমার্ক আম যদি থাকে তাহলে রাজা কি দোষ করল! হ্যাঁ এটা রাজার আম। রানীর আম যেমন কোমল তেমনি রাজার আম রাজার মতই শক্তিশালী। সাইজে গোল, বেশ বড় বড় হয়, খেতে প্রচণ্ড মিষ্টি কিন্তু শক্ত দাঁত থাকা আবশ্যক। বুজছেন তার মানে খাওয়ার পার দাঁত খেলান করা লাগবে, বেশ আঁশ যুক্ত।




১৮। ল্যাংড়াঃ

দ্যা কিং অফ ম্যাংগোজ। একজন সফল রাজার যে সব গুণাবলী থাকা দরকার তার সবগুলিই আছে এর। স্বাদে ঘ্রাণে অনন্য। যে আমের তুলনা আর কোন আমের সাথে করাই যায় না। নাম ল্যাংড়া হলেও আমটা মানুষের মত ল্যাংড়া নয়। আটি ছোট ও পাতলা, খোসা খুব পাতলা, রসালো, গায়ে শুধুই মাংস। স্বাদ অসাধারন।




মূল সুত্রঃhttp://bornelegant.wordpress.com/2013/05/11/mangoes-of-rajshahi-photoblog-with-description/
বিস্তারিত পড়ুন ... »

২৭ জুন, ২০১২

আমার সংগ্রহে থাকা কিছু দুর্লভ ছবির কালেকশন …. ইতিহাস কথা বলে


ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান এবং জয়নুল আবেদিন , ঢাকা (১৯৫৫)


১৯৪৩ এর মনন্তর

বঙ্গবন্ধু এভিনিউ (তৎকালীন জিন্নাহ এভিনিউ ) , ১৯৬৯

রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে হত্যাযজ্ঞ (১৯৭১)

মুচির দল (১৮৬০)

৬৯ এর গন অভ্যুথান (১৯৬৯)

ব্রিটিশ অভিজাত পরিবারের রাজকীয় মিলনমেলা , রেসকোর্স (১৮৯০)

আদমজী জুট মিল (১৯৫৪)

ভারত অভিমুখে বাংলাদেশী শরনারথী, কুমিল্লা (১৯৭১)

ইন্দিরা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু , ঢাকা (১৯৭২)

বাংলাদেশের একটি গ্রাম (১৮৬০)

১৯৪৭ এর দেশভাগ

ঢাকায় ব্রিটিশ সৈন্য (১৯৩৩)

প্রমত্তা বুড়িগঙ্গা (১৮৮০)

চক বাজার মোড় , ১৯০৪

বঙ্গ বন্ধুর ছয় দফা ঘোষণা (১৯৬৬)

ঢাকা কলেজ (১৮৭২)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম পরিচালনা কমিটি (১৯২১)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি (১৯৫৫)

ঢাকেশ্বরী মন্দির (১৯০৪)

ড . মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ এবং কাজী মোতাহের হোসেন , ঢাকা (১৯৫৪)

ঈদ উৎসব , ঢাকা (১৯৫৪)

২৫ মার্চ কালরাত্রির ক্ষতচিহ্ন , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭২)

এফ ডি সি তে অভিনেতা নাদিম (১৯৬৭)

মুয়াম্মার গাদ্দাফি এবং বঙ্গবন্ধু (১৯৭৩)

নোয়াখালীতে মহাত্মা গান্ধী (১৯৪৬)

ঢাকায় আইয়ুব খান এবং সোহরাওয়ারদি (১৯৫৮)

বাড়িতে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক , ঢাকা (১৯৫৪)

গুলিস্তান সিনেমা হল (১৯৫৪)

আড্ডায় মশগুল একদল কাবুলিওয়ালা , ঢাকা (১৯৫৪)

কুমার রামেন্দ্র নারায়ন (যিনি ভাওয়াল রাজা সন্ন্যাসী নামে অধিক পরিচিত) , ঢাকা (১৯০০)

লর্ড কার্জন এবং পাশে লেডী কার্জন , শাহবাগ (১৯০৪)

লালবাগ কেল্লা (১৯০৪)

মনন্তর (১৯৪৩)

মনন্তর (১৯৪৩)

নর্থব্রুক হল (১৯০৪)

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন (১৯৮৭)

ইয়াসির আরাফাত , বঙ্গবন্ধু এবং মুয়াম্মার গাদ্দাফি

শহিদুল্লাহ হল , ঢাবি (১৯০৮)

নারায়নগঞ্জ বন্দর (১৯৬২)

সোহরাওয়ারদী উদ্যান (পরে হানাদার বাহিনি মন্দির টি ভেঙ্গে ফেলে) (১৯৭১)

টঙ্গি ব্রিজ (১৮৮৫)

ঢাকার একটি রাস্তা (১৮৭২)

২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় ঢাকায় আমেরিকান সৈন্য (১৯৪৫)

নারিন্দা (১৮৭৫)

 সূত্রঃhttp://www.somewhereinblog.net/blog/hmahmud777/29624583
বিস্তারিত পড়ুন ... »

bdnews24.com - Home

ইরান বাংলা নিউজ

বিবিসি বাংলা

দৈনিক সংগ্রাম