রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৬ মে, ২০১২

সাহারার পেছনে যাহারাই থাকুন, আমরা দেবই পাহারা

আমার এক ঘনিষ্ট বোকা বন্ধু আজ সন্ধ্যায় মিনতি করে বলেছে, আমি যেন সাহারা গ্রুপের ব্যবসায়ী উদ্যোগের বিরুদ্ধে কোনো উচ্চবাচ্য না করি। আমি ভাবলাম, সে বোধহয় সাহারা গ্রুপের ঢাকা অফিসে চাকুরি টাকুরি নিয়ে ফেলেছে, তাই এই মিনতি। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা মিনতির যে কারণটি সে বলল, তাতে সত্যি সত্যই চমকালাম। সে বলল, ‌'দোস্ত, ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বললে তুই যে কোনোদিন গুম হয়ে যাবি। ইন্ডিয়া এদেশে তাদের স্বার্থ রক্ষায় যে কোনো কাজ করতে তৎপর। বারবার ঘু ঘু ধান খেয়ে গেলেও ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ধান খেতে যাস না, পরাণে বধ হয়ে যাবি।'

আমার চমকাবার কারণ এখানেই। আমি এখনও বিশ্বাস করি না যে ভারতের বিরুদ্ধে একটা কিছু লিখলেই কেউ এই দুনিয়া থেকে নাই হয়ে যেতে পারে। আমার মতো তুচ্ছ লেখকের তুচ্ছ ব্লগ পড়ার মতো সময়ও কোনো বড় মানুষের আছে, এটাও আশা করার কোনো কারণ নেই।

কিন্তু সাধারণ মানুষের অনেকেই হয়তো তা-ই ভাবে,নইলে আমার এই বন্ধুটি এরকম করে বলত না। আমি আমার পাঠককে নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি, এই বন্ধুটি বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতির সমর্থক নয়, সুতরাং অভ্যস্ত রাজনৈতিক চিন্তা থেকে এই ভাবনা আসেনি।

ভারত সম্পর্কে এরকম ভীতি যদি ছড়াতে থাকে সেটি সুখের কথা নয়। কিন্তু দিনে দিনে এই ভীতি বাড়ছে, এটাও বোধহয় এক দুঃখজনক বাস্তবতা। কেন এমন হচ্ছে সেটা বিতং করে লেখার আগ্রহ পাচ্ছি না, আমরা সবাই তা কমবেশি জানি। আজকেও জানলাম, কলকাতার জামাই ষষ্ঠিতে যাতে ইলিশ মাছ পাওয়া যায় এজন্য মমতা বন্দোপাধ্যায় নাকি ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথাবার্তা শেষ করে ফেলেছেন। সুতরাং তিস্তার পানি আসুক কি না আসুক, ফারাক্কার বাঁধে ছোট্ট এক ফাটল নিয়ে মমতা যতই নোংরামি করুন, আমরা দিদিকে জামাই ষষ্ঠির ইলিশ দিতে গাড়ি ঠিকই রওনা করিয়ে দিয়েছি। নিজের দেশের চেয়ে পরের দেশের প্রতি প্রেমটা যে আমাদের বেড়ে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে সতর্ক হওয়ার কারণ রয়েছে।

যাই হোক, সংক্ষেপে মূল কথায় চলে আসি। আজকে সাহারা গ্রুপের প্রধান ব্যক্তি সুব্রত রায় সাহারা হোটেল রূপসী বাংলায় তার বাংলাদেশী কোম্পানির শুভ উদ্বোধন করেছেন। বাংলাদেশে তার ব্যবসায়িক স্বার্থ দেখবেন শেখ সেলিমের সুযোগ্য পুত্র শেখ ফাহিম। এই নিয়োগ আবার আড়ম্বরের সঙ্গে হয়েছে, অনুষ্ঠানে বিজনেস কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে ফাহিমের হাতে। এ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে এদেশে সাহারা গ্রুপের গতি শুধু চলা শুরু করবে না, রীতিমতো দৌঁড়াবে। সে দৌঁড়াক, সবাই ব্যবসা বানিজ্য করে খাক, আমার আপত্তি নেই।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কতটাকা বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে সাহারা গ্রুপ? মাত্র ১২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবেন তাঁরা। এই যে আবাসন, আইটি, পর্যটন, চিকিৎসা সব ব্যবসায় একেবারে ফর্দাফাই করে দেয়ার স্বপ্ন দেখছেন এবং দেখাচ্ছেন জনাব সাহারা বাবু, এর বাকি টাকা আসবে কোথা থেকে? বাংলাদেশ থেকেই।

সাহারা প্রথমে শুরু করতে চাচ্ছে আবাসন ব্যবসা দিয়ে। গোটা একটা নগর গড়ে তোলার জন্য তাঁরা ৩ লাখ বিঘা জমি চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নাকি বলেছেন নদী ড্রেজিং করে জায়গা তৈরি করে দেয়া সম্ভব। বাপরে বাপ।

যাক গে, আমি এই প্রশ্ন তুলতে যাচ্ছি না যে জমি যদি দেয়াই যায়, তাহলে সাহারা লাগবে কেন, একটা নগর গড়ে তুলতে তো সরকারের রাজনৈতিক ইচ্ছাই যথেষ্ঠ হওয়ার কথা। কিছুদিন আগে পূর্বাচলের জমি নিয়ে যেমন কাড়াকাড়ি দেখেছি, তাতে নিশ্চিত করে বলা যায় তেমন নগরী গড়ার উদ্যোগ নিলে এদেশের মানুষের টাকাতেই সেটি তৈরি করা সম্ভব। প্লট বরাদ্দের আবেদনের সময় ভিড়ে ঢাকা শহরে যানজট লেগে যায়। ইনফ্যাক্ট সাহারা তো তা-ই করবে। কইয়ের তেলে কই ভেঁজে আবাসনের ব্যবসা তো এদেশে হচ্ছেই।

তবে এই ব্লগ লেখার কারণ আসলে এসব বকর বকর করা নয়। এই ব্লগ লেখার আসল কারণটি এখন বলি। সুব্রত রায় সাহারার একটা কথা আমার ভালো লাগেনি।

তিনি সুন্দরবনের পাশেও একটা টুরিস্ট নগরী গড়ে তুলতে চেয়েছেন। বিষয়টি যে সুবিধার নয়, সেটি তার নিজের কথাবার্তাতেই আশংকা জেগেছে। তিনি পরিবেশবাদীদের বিষয়ে অত্যন্ত অপমানজনক ভাবে বলেছেন, 'সুব্রত সাহারা বলেন, বেশিরভাগ পরিবেশবাদী শুধু শুধুই ঝামেলা করেন, তারা সমাধান দেন না। শুধু ঝগড়া করেন। তাই সুন্দরবনে পর্যটন সিটিতে তারা বাধা দিলেও সমস্যা হবে না। কারণ তারা অনেকেই তো দোকান খুলে বসে আছেন। ভারতেও তারা অনেক সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন।’

আমার ব্লগ লেখার কারণ আসলে এটুকুই। আমি শুধু বলতে চাই, 'এক্সকিউজ মি জনাব সুব্রত বাবু। আপনি সম্ভবত ভুল জায়গায় নক করে ফেলেছেন। সুন্দরবন আমাদের পরিবেশবাদীদের একক সম্পত্তি নয়, এটি আমাদের গোটা বাংলাদেশের সম্পত্তি। আপনি নদী ড্রেজিং করে লাখলাখ একর জায়গায় নগর ফগর তৈরি করছেন, সেটা না হয় আমরা মুখ বন্ধ করে মেনে-ই নেব; কিন্তু সুন্দরবন নিয়ে চুদুর ভুদুর করতে আইসেন না। সুন্দরবন নষ্ট করে টাকা কামানোর কোনো স্বপ্ন যদি আপনি দেখে থাকেন, তাহলে আজ রাতেই সেটি ভুলে যান। সুন্দরবন নিয়ে কিছু করতে চাইলে ব্যাপারটা হয়তো আপনার জন্য যথেষ্ঠ পরিমান অসুন্দর হয়ে পড়বে। আপনাকে কানে কানে বলে রাখি-সুন্দরবনে কিন্তু বাঘ থাকে।'

এই ফালতু ব্লগটা লেখার উদ্দেশ্য আর কিছু নয়, নগদা নগদ শুধু এই সতর্কবানীটুকু জারি করে দেয়া।

 সুত্রঃhttp://www.amarblog.com/arifjebtik/posts/148053
বিস্তারিত পড়ুন ... »

১১ নভে, ২০১১

 বদলাই হালামু সবকিছু উল্টাইয়া: শামীম

‘হুমকি-ধমকি যদি কেউ দিয়ে থাকে, আমারে কইবেন। আপনাদের কিচ্ছু করতে হইব না। রাতের বেলায় ঘরে গিয়ে হুমকির জবাব দিয়ে আসব। কাউরে যাইতে হইব না। প্রতিটা বাড়িত বাড়িত গিয়ে আমি হুমকি দিয়া আসব। জবাব চামু। ভাই, হুমকি কেন দিচ্ছ? ওই কাজটা আমি ভালো পারি। শুধু পাঞ্জাবি বদলাইয়া জিনসের প্যান্টটা পরতে হইব। আর আমরা যদি জিগাইতে যাই, তাইলে শহরে কেউ থাকব না। আমরা সাচ্চা আওয়ামী লীগার। ক্ষমতায় এখনো আওয়ামী লীগ আছে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী, খালেদা জিয়া নাইক্কা। বদলাই হালামু সবকিছু উল্টাইয়া।’

সদ্য সমাপ্ত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেলিনা হায়াৎ আইভীর কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত সরকারি দল-সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমান গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁর অনুগতদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন। শহরের উত্তর চাষাঢ়ায় পৈতৃক বাসভবন হীরা মহলে অনুগত নেতা-কর্মীদের নিয়ে সভা করেন তিনি। তারপর এসব নেতা-কর্মী নিয়ে তিনি শহরে ‘চেঞ্জ ইমেজ, চেঞ্জ নারায়ণগঞ্জ’ ডাক দিয়ে প্রচারপত্র বিতরণ করেন।
শামীম ওসমান অনুগতদের উদ্দেশে বলেন, ‘নির্বাচনে হারার পরে সাংবাদিক সব্বাইরে ডাকাইয়া অপর পক্ষের হয়ে মিষ্টি খাওয়াইতে পারে কেউ? আমি সাংবাদিকদের মিষ্টি খাওয়াইছি, আমাগো বইন (আইভী) জিতছে দেইখা। কইছি—খা, খা না, তোরা খা না। তো, এইটা ব্রিটেনেও আজ পর্যন্ত হয় নাই।’
গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কী আলাপ হয়েছে, কর্মীদের তা জানাতে গিয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘দলের কাছে ক্লিয়ার (পরিষ্কার) হইয়া গেছে, কারা বিএনপির, কারা জামায়াতের। আমি একটা জিনিস মনে করি, মজিবর ভাই (স্থানীয় নেতা) খাটতে খাটতে টায়ার্ড (ক্লান্ত), আমিও খাটতে খাটতে টায়ার্ড। সবাই খাটা-খাটনি করে টায়ার্ড হইয়া গেছি। তো, আমি আমার ছোট বোনের ব্যাপারে একটা পরামর্শ দিছি যে, দেখো, তোমার বিরুদ্ধে একটা অপপ্রচার হইছে যে, তুমি বিএনপি-জামায়াতের লোক। তারাই তোমারে ভোট দিছে। যা-ই হোক, এই মিথ্যাটা আমিই প্রচার করছি যে তুমি বিএনপি-জামায়াতের লোক। তো, মিথ্যা তো মিথ্যাই। এখন এটা তোমারে মিথ্যা প্রমাণ করতে হইব। কী করতে অইব? জামায়াত-বিএনপির আন্দোলন আইতেছে সামনে; এইত্তো ঈদের পরে। আমি কইছি আপারে (প্রধানমন্ত্রী) যে, আপা, আমার ছোট বইন আইভী আগামী তিন-চার মাস তার লোকজন যারা আছে তাদের নিয়া একটু জামায়াত-বিএনপিকে মোকাবিলা করুক। আমরা তো গেছি, এমনিও গেছি অমনিও গেছি। মোকাবেলা করলে যেটা হইব, এই যে ওর বিরুদ্ধে একটা মিথ্যা অপপ্রচার আমরা চালাইছিলাম, এটা সংশোধন হইয়া যাইব। আমাদেরও একটা বিশ্বাস জাগব যে, নাহ্, ও তো অ্যান্টি-জামায়াত, অ্যান্টি-বিএনপি। আমরা মিলামিশা সবাই কাজ করব। কাজ করতে সুবিধা হইব।’
বিএনপি-জামায়াত প্রসঙ্গে শামীম ওসমান আরও বলেন, ‘বিগত সংসদ নির্বাচনে সিটি করপোরেশন এলাকায় বিএনপি-জামায়াত ভোট পেয়েছিল এক লাখ ১১ হাজার ৮৩৫টা। এখন গ্যাস, বিদ্যুৎ-সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে বিএনপি-জামায়াতের ভোট আরও বাড়ার কথা। ভোট গেছে কই? ভোট তো পড়ছে ৭০ শতাংশ। আর ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) এলাকায় যেটা দেখলাম, ওখানে ভোট পড়ছে ৮০ থেকে ৮৫, ৯০ শতাংশ। কেন হইছে, কীভাবে হইছে, আমি জানি না। ওগুলো নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলব না। যারা তোলার তুলবে। এটা আমাদের কাজ না। আমরা সরকারি দল করি। আমাদের কাজ হইল নির্বাচন সুষ্ঠু করে দেওয়া। আমরা করে দিয়েছি। একটা ঝামেলা হয় নাই, একটা ধাক্কাধাক্কি হয় নাই। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে, নারায়ণগঞ্জবাসী সম্মানিত হয়েছে। এটাই আমাদের জয়।’
শামীম ওসমান গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর আলাপচারিতার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘নেত্রী আমাকে বলেছেন, কসম আল্লাহর বলছি, উনি বলছেন আমারে যে, “আমি কারও কাছে এত কৃতজ্ঞ হইনি জীবনে, যেটুক কৃতজ্ঞ তুমি আমাকে করেছ”, এক্কেবারে আইভীর সামনেই বলছে যে, “তুমি যে ধৈর্য দেখাইছ। আমি জানি, তুমি ১০ মিনিটের মধ্যে সকল ভোটকেন্দ্র দখল করতে পারতা। নির্বাচন বন্ধ করাইতে পারতা। বিএনপি বয়কট করার পর তোমার আর নির্বাচন করার কথা ছিল না। কারণ আমি দাঁড়াইলেও হয়তো বিএনপির দুই-একটা ভোট পাব। কিন্তু তুমি একটাও পাইবা না। তার পরও তুমি নির্বাচনে ছিলা ক্যান? যে নির্বাচনটা হোক। এত কিছুর পরও তুমি নির্বাচন করায় তোমার ইমেজ ভালো হয়েছে। আমারও ইমেজ ভালো হইছে, সারা পৃথিবীর কাছে আমি কইতে পারুম, দেখো, নির্বাচন ক্যামনে করতে হয় তা আমি দেখাই দিলাম।”’
শামীম বলেন, ‘নেত্রীকে বলেছি, রাজনীতিতে আপনার উত্তরাধিকার অবশ্যই যেন আপনার রক্তের লোক হয়। আপনার রক্তের উত্তরাধিকারী যদি থাকে, তাইলে আছি, নাইলে নাইক্কা। আমরা চাই জয় আইসা রাজনীতি ধরুক। রেহানা আপা আসুক, যে-ই আইসা ধরে ধরুক, ববি ধরুক। আপনার পরিবারের সদস্য থাকতে হবে। আপা কয়, নাম অনেক হইছে শামীম; আর না, আর না। আমি বললাম, আপনি লক্ষ লক্ষ কর্মী কার কাছে ছেড়ে দিবেন? এদের দিয়ে হইব? আপনি দেশে নাই, আর খেলে দিল!’
কর্মীদের সামনে নিজের পরাজয়ের ব্যক্তিগত মূল্যায়নও তুলে ধরেছেন শামীম। তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে। বিএনপি বইয়া যাওয়ার পরও কেউ আমগোর লগে পারত না। পারছে কেন জানেন? পারছে কারণ, একেকটি ওয়ার্ডে আমগো ছয়-সাতজন লোক কাউন্সিলর প্রার্থী খাড়াইয়া গেল। হগলই খাড়াইয়া গেলোগা। হগলে বোলে পাস করব। পরে কী হইল? তারা যার যার নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত রইল। দেখা গেল, আমার নির্বাচন করার মতো লোক মাঠে নেই। প্রতি ওয়ার্ডে আমার একজন করে প্রার্থী হলে ২৭টি ওয়ার্ডেই আমার লোক জিতত। আমার লোকেরা ঐক্যবদ্ধভাবে ঠিকমতো কাজ করলে বিএনপির প্রার্থী বসে যাবার পরও আমি জিততাম।’
কর্মীদের উদ্দেশে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে গেছে কডা, দেহেন না! বিএনপি-জামায়াত, মিডিয়ার বেশির ভাগ, বামপন্থী তা হগলেই গেছে গা—মেনন-ছেনন, ইনু—হগলে এক হইছে। আরেকটা ছিল, দুই পা গেছে গা কবরে, (গালি) নাম ভুলে গেছি গা, (কর্মীরা বলছে মূসা মূসা)। নেত্রীরেও কইছি, ওই যে দুই ঠ্যাং কবরে, আপা বুঝছে, লগে লগে কইলো মূসা মূসা।’
শামীম ওসমান বলেন, ‘এই প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার মনে করছিল, আইভী তো নেত্রীর কাছে যাইব না। শামীম ওসমান বলদ না, বুদ্ধি রাখি, এর লাইগাই ধন্যবাদ জানাইছি। হে তো নেত্রীর কাছে চইলা গেছে। এই দুই দিন পর আবার দেখবেন, এই পত্রিকাটা আমার বইনটারে লই কী লেখা শুরু করে। কী খেলা শুরু করে।’
নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে শামীম বলেন, ‘নির্বাচনের দুই দিন আগে টিভিতে দেখলাম, এক নির্বাচন কমিশনার ফাইল নেড়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, অমুক প্রার্থীর বিরুদ্ধে এত মামলা রয়েছে। অমুক প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। এ থেকেই বোঝা যায়, কে ভালো মানুষ। আমি এখন ইচ্ছে করলে সব কথার জবাব দিতে পারি। আমাকে হাত-পা বেঁধে নদীতে গোসল করতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।’
সভায় শামীম ওসমান ছিলেন একমাত্র বক্তা। উপস্থিত ছিলেন শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া, পারভেজ (ক্যাঙ্গারু পারভেজ), ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল, সাধারণ সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহমেদ ওরফে লিটন। সভায় ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, বন্দর এলাকা থেকে আসা লোকের সংখ্যাই ছিল বেশি। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুগতদের এই সভা চলে।
সভা শেষে কয়েক শ লোক নিয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন শামীম ওসমান। এ সময় পথচারীদের মাঝে একটি প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। কড়া পুলিশি পাহারার মধ্যে শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ ‘ক্যাডাররা’ তাঁকে ঘিরে হাঁটেন।
জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, কোনো বিশৃঙ্খলা করা হবে না—শামীম ওসমানের কাছ থেকে এ ধরনের প্রতিশ্রুতি পেয়েই তাঁকে রাস্তায় নামার অনুমতি দেওয়া হয়।
লিফলেটে যা বলেছেন শামীম: লিফলেটে গত ৩০ অক্টোবর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জবাসীকে অভিনন্দন জানান শামীম ওসমান।
এতে বলা হয়, ‘আপনারা জানেন, এই নির্বাচনকে ঘিরে নানামুখী ষড়যন্ত্র হয়েছিল। শুধু প্রগতিশীল ও স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তির পক্ষে কথা বলার অপরাধে বিএনপির প্রার্থীকে রাতের আঁধারে বসিয়ে দেওয়া, নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ ব্যক্তিদের প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ ও বক্তব্য দেওয়া, কিছু মুখচেনা পয়সায় কেনা বুদ্ধিজীবীর ব্যাপক অপপ্রচার এবং আমাকে ও নারায়ণগঞ্জবাসীকে সন্ত্রাসী বানানোর শত অপচেষ্টা সত্ত্বেও আপনারা সুষ্ঠু নির্বাচনের যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন, সে জন্য আপনাদের অশেষ ধন্যবাদ।’
প্রচারপত্রে নগরবাসীর উদ্দেশে বলা হয়, ‘এত কিছুর পরও আপনাদের যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি, সেই ঋণ শোধ করার মতো ক্ষমতা আমার মতো নগণ্য মানুষের নেই। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের মাঝেই সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বসবাস। তাই বাকি জীবন আপনাদের খুশি করে আমি সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করতে চাই। নির্বাচনে যাঁরা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। যাঁরা ভোট দেননি, নিশ্চয় আমি তাঁদের মন জয় করতে পারিনি, তাঁদেরও জানাই আমার শ্রদ্ধা ও সালাম।’
প্রচারপত্রে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি একজন অতি সাধারণ মানুষ, আমার কোনো ক্ষমতা নেই। তার পরও আপনারা মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করবেন, তিনি যেন আমাকে আপনাদের সুখে-দুঃখে যেকোনো সমস্যায় আপনাদের পাশে থেকে সেবা করার তৌফিক দান করেন। আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি আধুনিক সুখী নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলি। আমাদের স্লোগান হোক “চেঞ্জ ইমেজ, চেঞ্জ নারায়ণগঞ্জ।”

 সুত্রঃ প্রথম আলো
বিস্তারিত পড়ুন ... »

৯ নভে, ২০১১

ওরা বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার চালাচ্ছে যেভাবে

(ছবি ক্যাপশানের অনুবাদঃ বাংলাদেশের মুসলমানরা মসজিদে একজন হিন্দুকে পেটাচ্ছে। তিনি বাড়ি যাওয়ার সময় মসজিদের বাইরে ধৃত হন। শুক্রুবার নামাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই প্রথম যে হিন্দুকে পাওয়া যায় তাকেই ধরে ফেলে মোল্লারা। এমনি একজন হচ্ছেন ভিমল পাঠক। তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত পেটাতেই থাকে মোল্লারা, আর বলতে থাকে, "হত্যা কর এই কাফিরকে" । তাকে হাত বাধা অবস্থায় হত্যা করা হয়, যদিও বিমল বাচার জন্য আকুল আবেদন করে)

এই একটি ছবি যা শত শত ওয়েবসাইটে্র মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)

তিন-চার বছর আগের কথা। তখন চলছিলো মইন-ফখরুদ্দিনের জামানা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের বেশ কিছু ইয়াহু-ইমেইল গ্রুপের সদস্য হওয়ার সুবাধে নানা ধরনের ইমেইল পাই নিয়মিত। একদিন ইমেইল করেছে হল জীবনের পাশের রুমের প্রাক্তন জুনিয়র যে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

উপরের ছবিটা দেখিয়ে বলে, ভাইয়া, দেখেনতো বাংলাদেশে কিভাবে হিন্দুদের নির্যাতন হচ্ছে,
এটা কি সত্য? আপনার কি মনে হয়? এটা নিয়ে প্রবাসী বিভিন্ন প্রফেশনাল ইমেইল গ্রুপ গুলোতে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে, সবাই বাংলাদেশকে গাল মন্দ করছে। সেই সাথে মোল্লাদের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করছে। বলা হচ্ছে, দেখ দেখ বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের কিভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ইসলাম ও মুসলমানরা কত নিষ্টুর। সবাই ছিঃ ছিঃ করছে আমাদের।

তাকে আশ্বস্ত করলাম। আসল ঘটনাটা বিস্তারিত লিখে পাঠালাম। বললাম, ওরা ঘটনাটা যেভাবে ছড়াচ্ছে সেটা মোটেও সত্য নয়। ঘটনাটা তার উলটো। তুমি চিন্তা করো না, আমি আসল ঘটনা লিখে তোমাকে মেইল করছি। তবু তার বিশ্বাস হচ্ছে না। ভাইয়া, এই নিউজ কি সেই সময়ের কোন পত্রিকায় এসেছিল? বললাম, হা এসেছিল। তবে সেই পেপার কাটিং এখন আমার হাতে নেই, হাতে আসলে সেটা নিয়ে লিখবো একদিন ইনশাল্লাহ। টুডে অর টুমোরো, আই উইল রাইট।

সেই জুনিয়রের মেইল পাওয়ার আগেই ছবিটা Faith Freedom (ফেইথ ফ্রিডম) নামের চরম ইসলাম বিরোধী ওয়েবসাইট দেখেছিলাম। সাথে পেয়েছিলাম মুক্ত-মনা নামে রাম-বাম পন্থিদের ওয়েবসাইটেও। পরে নজরে আসে বাংলাদেশ মাইনোরিটি নির্যাতন বিরোধী এক সাইটে। এই ছবিটা তাঁরা তাদের সাইটের প্রথম পেজে এনিমেশান করে রেখেছে। তাঁরা বলছে এই হচ্ছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বর্তমান অবস্থা!


ছবি-২ (ছবিটি বড় করে দেখতে এখানে ক্লিক করুন, Click this link)

প্রকৃত ঘটনা


ছবির ব্যক্তিটি বায়তুল মোকাররম মসজিদের সাধারন মুসল্লি যিনি চরমোনাই ( আগের নাম ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, যারা বর্তমানে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন হিসেবে পরিচিত ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইশা ছাত্র আন্দোলন) ও দেওয়ানবাগী পীরের হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে পড়ে যায়। তাদের বেদম পিটুনীতে উক্ত ব্যক্তি আহত হন।

ছবিতে আহত দুই ব্যক্তির (ইনকিলাবের ছবিতে দেখুন, ছবি-২ ও -৩) একজন মিয়া গোলাম কুদ্দুস। জামায়াতের কর্মী হিসেবে সংগঠনটির পল্টনে অফিসে কাজ করতেন। তার বড় ভাই বিগত (২০০১) সালের খুলনা-৫ থেকে চার দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরোওয়ার।

ঘটনাটি ঘটে ১০ জুন ২০০০ সালে বায়তুল মোকাররম ঊত্তর গেটের মুসজিদের শিড়ির গেইটে (ছবিতে দেখা যাচ্ছে) । পরের দিন ঐ ঘটনা নিয়ে বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিক রিপোর্টও করে। ততকালীন দৈনিক ইনকিলাব এনিয়ে ১১ জুন ২০০০ প্রথম পাতায় তিন কলামে খবরও ছাপে (ছবি-২ দেখুন)। সেই রিপোর্টে বলা হচ্ছে,
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের বিক্ষুন্ধ কর্মীরা গতকাল আসর নামাজ চলাকালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভেতর ঢুকে জামায়াত সন্দেহে ২ জন মুসল্লীকে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে। আহত জনৈক গোলাম কুদ্দুস আত্নরক্ষার জন্য বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইটে থেকে দৌড়ে মসজিদের ভেতরে ঢুকে। এ সময় শতাধিক ইশা আন্দোলনের কর্মী লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে মসজিদে ঢুকে গোলাম কুদ্দুসকে বেদম প্রহার করে। রক্তাক্ত গোলাম কুদ্দুস মসজিদের ফ্লোরে লুটিয়ে পড়েন। মসজিদের শত শত মুসল্লিগণ নামাজের সালাম ফিরিয়ে মোনাজাত অংশগ্রহন না করেই ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম ও পুর্ব দিক নিয়ে দ্রুত মসজিদ ত্যাগ করেন। গতকাল বিকেলে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইটে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ শুরুর পুর্ব মুহুর্তে এই নগ্ন হামলার সুত্রপাত ঘটে। ইশা আন্দোলনের কর্মীরা উত্তর গেইটে উক্ত দু মুসুল্লীকে জামায়াত কর্মী সন্দেহে গনপিটুনী শুরু করে। জনৈক মুসল্লী নূরে আলম সিদ্দিকী গনপিটুনীর এক পর্্যা য়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। নূরে আলম সিদ্দিকী বাচাও বাচাও চিৎকার দিয়ে হাত জোড় করে প্রান ভিক্ষা চায়। এক পর্যায়ে কয়েকজন মুসল্লী আহত নূরে আলম সিদ্দিকীকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেন। পরে পুলিশ আহত নূরে আলম সিদ্দিকীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত গোলাম কুদ্দুস ইশা আন্দোলনের কর্মীদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মসজিদের ভেতরে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। কয়েকজন মুসল্লী রক্তাক্ত গোলাম কুদ্দুসকে জড়িয়ে ধরে মসজিদের মেহরাবে নিয়ে যান। সেখানে তিনি শুয়ে পড়েন। কয়েকজন মুসল্লী ও মসজিদের ২ জন খাদেম তাকে চিকিতসার জন্য মসজিদের বাইরে নিয়ে যান।(সুত্রঃ দৈনিক ইনকিলাব ১১ জুন ২০০০)

ছবি-৩: ইনকিলাবে প্রকাশিত নিউজের পেপার কাটিং পড়ুন (বড় করে পড়তে এখানে ক্লিক করুন, Click this link)

ওরা ঐ ঘটনাকে যা বানিয়েছে


ছবির নূরে আলম সিদ্দিকী হয়ে গেছে ভিমল পাঠক। তাকে মোল্লারা পিটিয়ে রক্তাত্ত করছে আর বলছে, কলেমা পড় না হলে তোকে মেরেই ফেলবো। আর ঘটনাটি ঘটছে খোদ এক মসজিদে সবার সামনে । তাহলে বুঝুন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কি ভয়াবহ নির্যাতনে আছে!!

১. Faith Freedom হচ্ছে একটি চরম ইসলাম বিরোধী ওয়েবসাইট । সেখানে মুলত প্রথম এই ছবিটি হাইলাইট করা হয়। এই সাইট মুলত সারা বিশ্বের কিছু বিভতষ্য ছবি তুলে ধরে বলা হচ্ছে, এই হচ্ছে শান্তির ধর্ম ইসলামের আসল চেহেরা!! ক্লিক করুন এখানে,
http://faithfreedom.org/Gallery/7.htm

২. আগেই বলেছি, মুক্ত-মনা নামের বাংলাদেশ বিরোধী এক ওয়েবসাইটে এই ছবি রাখা হয়েছে এক বিশাল রিপোর্টর সাথে. Ethnic Cleansing in Bangladesh শিরোনামে Rahul Gupta লিখিত এই রিপোর্ট পড়ুন এখানে, (সাইট ক্লিক করে নিচে যান, ছবিটি পাবেন)
http://www.mukto-mona.com/human_rights/ethnic_clensing_Bangladesh.html

৩. চরম ইসলাম বিরোধী ওয়েবসাইট Islam-Watch এটিকে বাংলাদেশে ইসলামপন্থিদের বর্বর কর্মকান্ড হিসেবে তুলে ধরেছে। Humanity Assasinated: Ethnic cleansing in Islamic Bangladesh শিরোনামের এক লেখায় ছবিটি দেয়া হয়েছে। ক্লিক করুন ও স্ক্রুল করে নিচে চলে যান
http://islam-watch.org/index.php?option=com_content&task=view&id=88&Itemid=58

৪. Human rights commission for Bangladesh minorities হচ্ছে বাংলাদেশে কল্পিত হিন্দু নির্যাতনের চিত্র সারা বিশ্বে তুলে ধরার একটি ওয়েবসাইট। এই সাইট চালান হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ নামক সংগঠনের আন্তুর্জাতিক শাখা। ওয়েবসাইটের ডান পাশের এ্যানিমেশান করা ছবিটি (Brutality!! এর নিচে) দেখুন, http://www.hrcbm.org/

৫. Murder in a Mosque (মসজিদে হত্যা ) শিরোনামে এই ছবিটা পোষ্ট করা হয়েছে। সেখানে কমেন্টও এসেছে প্রচুর। ছবি ও কমেন্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
http://www.freerepublic.com/focus/news/663591/posts

৬. Hindurastra নামের এই ওয়েব সাইটের মাঝখানে ক্রল করে ছবিটি দেখুন,
http://www.hindurashtra.org/atrocities.htm

৭. No to Islam নামের এক ব্লগেও এই ছবি পোষ্ট করা হয়েছে। Hindu Beaten by Muslims (হিন্দুকে পেটাচ্ছে মুসলমানরা) শিরোনামে এই ছবিটি পোষ্ট করা হয়েছে
http://noislam2007.blogspot.com/2010/03/hindu-beaten-by-muslims.html

আরো অনেক ওয়েবসাইটে এই ছবিটা আপলোড করা হয়েছে ইসলাম ও বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক, বর্বর রাষ্ট্র হিসেবে সারা বিশ্বে তুলে ধরার জন্য। সাথে এটাও বলা হয়েছে, এই ছবি থেকে বুঝা যায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের কি অবস্থা!! এর মধ্যে কিছু সাইটে দেখুন ছবিটা,


http://www.hissheep.org/islam/pictures_of_islam.html

http://grendelreport.posterous.com/religious-ritual-in-a-bangladeshi-mosque

http://consumer.admanya.com/photoblog/religious_ritual_in_a_bangladeshi_mosque-302.html

http://fieryspiritedzionist.blogspot.com/2010/05/hindu-beaten-to-death-in-mosque.html

http://www.sodahead.com/united-states/ethnic-cleansing-in-bangladesh/question-2090419/

http://www.copts.net/forum/showthread.php?t=31349&langid=1

http://www.janasangh.com/jsart.aspx?stid=193

http://www.facebook.com/Paradise.Jamaat/posts/168242023200569

মজার বিষয় হলো একই ছবি, হুবহু একই ক্যাপশানে সব ওয়েবসাইট ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এই সাইটগুলো ভালো ভাবে খেয়াল করলে বুঝতে অসুবি্ধা হয়না এগুলোর নেপথ্যগুরু কারা। এরা বাংলাদেশকে আরেকটি স্পেন বানানোর সব আয়োজন নাকি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেই ফেলেছে।

এনিয়ে পরবর্তি পোষ্ট পড়ুন, বাংলাদেশ বিরোধী অপ্রচারঃ সব রসুনের একই গোড়া?

মূল লিঙ্কঃ http://sonarbangladesh.com/blog/actvisit/72917
বিস্তারিত পড়ুন ... »

bdnews24.com - Home

ইরান বাংলা নিউজ

বিবিসি বাংলা

দৈনিক সংগ্রাম